পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও দাম বাড়ার অভিযোগ

পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও দাম বাড়ার অভিযোগ

অর্থনীতি ডেক্স :
পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও দাম বাড়ার অভিযোগ জানিয়েছেন ক্রেতারা। চাহিদার তুলনায় মজুদ পরিস্থিতি খুবই সন্তোষজনক। এমনকি কোনো কোনো পণ্যের মজুদ অনেক বেশি। বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে ব্যবসায়ীরা আশ্বাস দিয়েছিলেন এবার রমজানে প্রধান কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়বেনা। তা সত্ত্বেও সপ্তাহ ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সপ্তাহ খানেক আগে যেখানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে ছোলা বিক্রি হয়েছে, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এছাড়া চিনি ও পেঁয়াজের দামও কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। বৃহস্পতিবার ৩ মে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ও আশেপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, উন্নতমানের অস্ট্রেলিয়ান ছোলা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন পাইকারি বাজারে ছোলার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বাজারেও বেড়ে গেছে। বাজার করতে আসা আসলাম বলেন, ‘এক কেজি ছোলা কিনলাম ৯০ টাকায়। কয়েক দুদিন আগে কিনেছি ৮০ টাকায়।  এদিকে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, পটল ৫০টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, আলু ১৬ টাকা টাকা। কাঁচা মরিচের কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে একদিনের ব্যবধানেই বাজারে রসুনের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা।  বিক্রেতা শফিকুল হাসান বলেন, ‘চায়না রসুন বৃহস্পতিবার ৭৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করলেও শুক্রবার তা ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে হবে। তবে দেশি রসুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।’ এছাড়া, চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট ৫২ থেকে ৬১ টাকা, নাজির ৬৪ থেকে ৭২ টাকা ও কাটারিভোগ ৭২ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৫০-৪৭০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০-৭৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি প্রতি পিস সাইজ অনুযায়ী ২০০-২২০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।