Thursday , 21 October 2021
সকালে নাস্তায় ডিম খেলে ১২ উপকার পাবেন

সকালে নাস্তায় ডিম খেলে ১২ উপকার পাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম এক অপরিহার্য উপাদান। আমরা তো ডিমের কত গুণ সম্পর্কেই জানি। কিন্তু প্রতিদিন নাস্তায় ১-২টি করে ডিম শরীরে কী উদ্দীপনা নিয়ে আসে জানে? সকালে কেন ডিম খাবেন:চুল পড়া কমে-চুল পড়ার সমস্যা কমবেশি সবারই আছে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটা করে ডিম খান। ডিমে ভিটামিন এ এবং ই চুলের গোড়ার পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে-ডিমে রয়েছে লুয়েটিন এবং জিয়াক্সেনথিন নামে দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আলট্রাভায়োলেট রশ্মির থেকে চোখকে রক্ষা করে। সেই সঙ্গে রেটিনার কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ফলে চোখে সহজে ছানি পড়েনা।  অ্যামাইনো অ্যাসিডের ঘাটতি দূর করে- শরীরকে সচল রাখতে অ্যামাইনো অ্যাসিড বেশ কার্যকর। ডিমে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে। তাই সকালের নাস্তায় অবশ্যই ১-২টা ডিম খান। এতে করে শরীর আর ঝিমিয়ে পড়বে না। ত্বক সুন্দর করে -ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আমাদের ত্বক আর চুলকে সুন্দর করার পাশাপাশি যকৃতের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ডিমে প্রচুর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে। তাই সকালে প্রতিদিন একটা করে ডিম খেয়ে দেখুন নিয়মিত, নিজেই দেখবেন এর উপকার। রক্তস্বল্পতা কমায়-ডিম শরীরে হিমোগ্লবিনের মাত্রা বাড়ায়। হিমোগ্লবিন কমে যেতে থাকলে শরীরে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বেড়ে যেতে থাকে। তাই যতো কষ্টই হোক শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে ডিম শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। সিদ্ধ ডিমে থাকা আয়রন শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।  ওজন কমে-অনেকে ভাবেন ডিম খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু একবারে ঠিক কথা নয় এটি। সকালে নাস্তায় ডিম খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। তাই সহজে ক্ষুধা পায়না। বাইরের ফাস্টফুড খেয়ে পেট ভরালে উল্টো ওজন বাড়ে। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে- ডিম খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে- এ কথা ভুল। কারণ ডিমে থাকা ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল ভালো কোলেস্টেরলের পর্যায়ে পড়ে। ফলে এটি শরীরের কোনো ক্ষতি করেনা, উপকার করে। তাই প্রতিদিন নাস্তায় ১ টা করে ডিম খেলে শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়-ডিমে থাকা সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে থাইরয়েড হরমোনের ঠিকমতো ক্ষরণ নিশ্চিত করে।  মানসিক চাপ কমে- ডিমে প্রায় ৯ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে। এগুলো মস্তিষ্কে সেরাটোনিন নামক বিশেষ এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়।