Thursday , 21 October 2021
নিয়মিত হাঁটার কয়েকটি উপকারিতা

নিয়মিত হাঁটার কয়েকটি উপকারিতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক : যান্ত্রিক জীবনে আমরা খুব ব্যস্ত, কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠি। নিজের জন্য আলাদা সময় রাখার ফুসরতও নেই। নিজের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের ইচ্ছা থাকলেও চেষ্টা কম। কিন্তু চাইলেই সুস্বাস্থ্য নিয়ে আসা যায় খুব সহজেই। এজন্য প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটতে হবে। দেখবেন শরীরের জন্য উপকারগুলো পাবেন- *ক্যানসার দূরে রাখে- গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত আধা ঘণ্টা হাঁটলে শরীরে পরিবর্তন হতে শুরু করে। আর তাই ক্যান্সার সেল তৈরির আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটুন আর ক্যানসারের মতো মরণঘাতি রোগকে দূরে রাখুন। *রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়- নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারেনা। তাই পরিবারে কারো রক্তচাপ থাকলে অবশ্যই হাঁটাহাঁটির অভ্যাস করুন।  *ডায়াবেটিস দূরে রাখে-দুপুরে এবং রাতে খাবার পর নিয়ম করে হাঁটার অভ্যাস করুন। এতে করে শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আস্তে আস্তে কমতে থাকে।    *মানসিক কষ্ট কমে- সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকতে থাকতে শরীর আর মন একদম অবসাদগ্রস্ত হয়ে যায়। এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অবশ্যই একটু বাইরের পরিবেশে যাওয়া উচিৎ, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা উচিৎ। তাই প্রতিদিন একটু সময় বের করে হাঁটতে বের হন। এতে আমাদের মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়বে। এতে করে মন ভালো হয়ে যাবে। *বেড়ে যেতে পারে আয়ু- খুব যে দৌঁড়াদৌঁড়ি করে ঘাম ঝরিয়ে হাঁটতে হবে, এমনটা নয়। হালকা মেজাজে নিশ্চিন্ত মনে ধীরে সুস্থে হাঁটতে বের হন। এতে করে শরীরের সচলতা বেড়ে যাবে। রোগ বালাই কমে যেতে শুরু করবে।  *হৃদপিণ্ডের শক্তি বাড়ে-বিভিন্ন চিকিৎসকরা গবেষণা করে দেখেছেন, দিনে ২০ মিনিট অন্তত হাঁটলে বিভিন্ন ধরনের হার্টের রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে যায় প্রায় ৮ শতাংশ। হৃদপিণ্ডে অক্সিজেন সরবরাহ করে সচলতা বৃদ্ধি করে। *শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে-দিনে প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট হাঁটলে পেটের চর্বি কমে যেতে থাকে। ফলে ওজন কমে যায়। *শরীরে শক্তি মেলে-শরীরে শক্তি আনতে হলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে নিয়মিত সচল করে তুলতে হয়, তা না হলে শরীর অসাড় হয়ে যায়, অলসতা বাড়ে। দিনে যেকোনো সময় ২০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলে পুরো শরীরে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়।  *স্মৃতিশক্তি বাড়ে-সবার স্মৃতিশক্তি একরকম হবে, ব্যাপারটা এরকম নয়। স্মৃতিশক্তি কার কত শক্তিশালী তা মস্তিষ্কের হিপোকম্পাস অংশের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটলে হিপোকম্পাসের ক্ষমতা বাড়ে।