নিস্প্রাণ তালশহর রেলষ্টেশন

নিস্প্রাণ প্রাণবন্ত তালশহর রেলষ্টেশন

আশুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যাত্রী সেবাই কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি দিলেই তালশহর রেলষ্টেশনটি ফিরে পাবে তার পূর্ণ যৌবন। বঙ্গবন্ধুর উন্নয়নের অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের অগ্রদূত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রূপকল্পে রেল- কে তার পূর্ণযৌবন দিতে সারাদেশকে রেলওয়ের নের্টওয়ার্কের আওতায় আনার কাজ করে যাচ্ছে সরকার তা আজ দূশ্যমান। দেশের প্রতিটি জেলায় রেল- লাইন স্হাপনের কাজ চলছে। যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতি মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন আন্ত ঃ নগর ট্রেনের শুভ উদ্ভোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।প্রতিটি ষ্টেশন থেকে ট্রেনে যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে নির্যুম কাজ করে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের রেল- বিভাগ। প্রশ্ন হলো এক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ রেল- তালশহর রেলষ্টেশন আজ পরিত্যক্ত। এক সময় অনেক জমজমাট ছিল এই রেলষ্টেশনটি। রেলষ্টেশনকে কেন্দ্র করে বহু লোকের চায়ের দোকান পাট ব্যবসা প্রতিষ্টান গড়ে উঠে প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শত শত যাত্রীর কলরব আওয়াজে অনেক জমজমাট হয়ে উঠত। প্রতিদিন আট থেকে দশটি ট্রেনের স্ট্রোপিজ ( যাত্রাবিরতি) ছিল বর্তমানে আন্তঃ নগর ট্রেন তো দূরের কথা লোকাল কোনো ট্রেনের ও যাত্রাবিরতি নেই। ফলে যাত্রীদের সদর উপস্হিতি আর আগের মতো এখন চোখে পড়ে না। তালশহর রেলষ্টেশনটি বর্তমানে যে অবস্হায় আছে যা পরিত্যক্ত পর্যায়। তালশহর গ্রামসহ আশে পাশের প্রায় ১০/১২ টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের প্রাণের দাবী যাত্রী ভূগান্তি কমাতে। এখন ঢকা- সিলেট রেল- পথে ও ঢকা- চট্রগাম রেল- পথে চট্রলা, তিতাস, সুরমা মেইল, নাসিরাবাদ, ডেমু, এই ট্রেন গুলোর আপ- ডাউন যাত্রাবিরতি দেওয়া হলে এক দিকে যেমন এই অর্ঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের যাতায়তের কষ্ট দূরদর্শা থেকে পরিত্যাণ পাবে। অন্যদিকে সরকার টিকিট বা মালামাল দ্বারা সরকারের রাজস্ব আয় করতে পারবে। আর তালশহর রেলষ্টেশনটি ফিরে পাবে তার পূর্ণযৌবন নিস্প্রাণ রেলষ্টেশনটি আবার প্রাণবন্তর হয়ে উঠবে