Home / স্বাস্থ্য / সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদের চিকিৎসা, সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়|

সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদের চিকিৎসা, সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়|


অনলাইন ডেস্ক:

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তীকে দেখতে গেলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) খুলনা বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. আরিফ। সোমবার সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) গিয়ে তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় খুমেকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে চিকিৎসার সার্বিক বিষয় নিয়েও পর্যালোচনা করেন হু’র প্রতিনিধি। তার চিকিৎসার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে বলে জানা গেছে।

৭ ফেব্রুয়ারি করোনা টিকা নেওয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী। গত ১৫ দিনেও তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। বরং প্রতিনিয়ত অসুস্থতা বাড়ছে। তিনি বর্তমানে খুমেকের সিসিইউতে ভর্তি আছেন। 

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির কে বলেন, ৭ তারিখে টিকা নেওয়ার পরদিন থেকেই তিনি অসুস্থ বোধ করেন। এর পর তার ব্লাড টেস্ট, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়েও শারীরিক অন্যকোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। পরবর্তীতে আমরা মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে তাকে চিকিৎসা দিয়েছি কিন্তু কোনো উন্নতি না দেখে খুলনা মেডিক্যালে পাঠাই। সেখানেও কয়েকদফা পরীক্ষা করেও তার সুনির্দিষ্ট রোগ ধরা পড়েনি।

সিভিল সার্জন বলেন, সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া, হাত অবশ হওয়া, মেমোরি লস হওয়াসহ নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছে তার শরীরে। একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও নির্দিষ্ট কোনো রোগ ধরতে পারছেন না বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তার অসুস্থতার বিষয়টি সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মনিটরিং করছে। আজ (সোমবার) সকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি খুমেকে গিয়ে তার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। খুমেকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সার্বিক ব্যবস্থা করা হবে।

-অনলাইন ডেস্ক