Home / বাংলা নিউজ / চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসা যন্ত্রণাদায়ক : জয়া আহসান

চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসা যন্ত্রণাদায়ক : জয়া আহসান


অনলাইন ডেস্ক:

কলকাতা, ২৩ ফেব্রুয়ারি – জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বি’জয়ী অ’ভিনেত্রী জয়া আহসান। দুই বাংলা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এই অ’ভিনেত্রী। বর্তমা’নে কলকাতার সিনেমা’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জয়া অ’ভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা’ ‘রবি’বার’। এতে প্রসেনজিতের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় হা’জির হন তিনি। এটি মুক্তির পর সমা’লোচকদের দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন জয়া।

কলকাতার গুণী নির্মা’তা কৌশিক গাঙ্গুলি’, সৃজিত মুখার্জি, অ’রিন্দম শীল, অ’তনু ঘোষ, শিবুপ্রসাদ মুখার্জি, নন্দিতা রায়, বি’রসা দাশগুপ্তসহ অ’নেক পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন জয়া। অ’নেকে বলেন, কলকাতার নায়িকাদের ঘুম হা’রাম করেছেন বাংলাদেশের এই শিল্পী!

আরও পড়ুন : মিথিলা-সৃজিতের জলকেলি’র অ’ন্তরঙ্গ ছবি’

জয়া বেছে বেছে সিনেমা’য় অ’ভিনয় করেন। যাতে কোনো না কোনো মেসেজ থাকে। অ’নেক সিনেমা’য় কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু একটি থেকে আরেকটি একেবারেই আলাদা। এটা’ কীভাবে সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়া আহসান টা’ইমস অ’ব ইন্ডিয়াকে বলেন—‘এক্ষেত্রে চিত্রনাট্য আমা’কে খুব সহযোগিতা করে। তাছাড়া দীর্ঘ অ’ভিনয়ের অ’ভিজ্ঞতাও দক্ষতা বৃদ্ধি করে। কিন্তু একাগ্রতা আমা’কে অ’নেক সাহা’য্য করে। শুটিংয়ের সময়ে এখনো আমি মুঠোফোন সঙ্গে না রাখার চেষ্টা’ করি। অ’ভিনয় করার সময় আমি ভিন্ন একটি জগতে থাকি!’



জয়া আহসান প্রতিটি চরিত্র হৃদয়ে ধারণ করেন। এজন্য শুটিং শেষ হলেও তা থেকে বেরিয়ে আসতে অ’নেকটা’ সময় লাগে। বি’ষয়টি উল্লেখ করে জয়া আহসান বলেন—‘আমি সেরিব্রাল অ’্যাক্টিংয়ে বি’শ্বাস করি। যদি চরিত্র অ’নেক গভীর হয়, তবে তা থেকে বেরিয়ে আসা অ’নেক যন্ত্রণাদায়ক। কাজের মধ্যে নিজেকে আবি’ষ্কার করি। আপনি যদি জানতে চান, প্রকৃত জয়া কে? তবে আপনাকে আমি বুঝাতে পারব না। প্রতিটি চরিত্র নিজ নিজ ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি চরিত্রের আকর্ষণ ও গভীরতার উপর নির্ভর করে। শুরুতে চরিত্রে মিশে যেতে সময় লাগে। কিন্তু চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসতে আমা’র এক থেকে দুই মা’স সময় লাগে।’

এন এইচ, ২৩ ফেব্রুয়ারি