Breaking News
Home / শিক্ষা / চারমাস আগে অবসর সুবিধার টাকা হাতে পেয়েছেন বাশার হাওলাদার – এমপিও

চারমাস আগে অবসর সুবিধার টাকা হাতে পেয়েছেন বাশার হাওলাদার – এমপিও


অনলাইন ডেস্ক:

আজ থেকে প্রায় চারমাস আগে অবসর সুবিধার টাকা হাতে পেয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল বাশার হাওলাদার। তিনি রাজধানীর রহমতউল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান হিসেবে অবসরে যান ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে। এর কয়েকমাস পরে অবসর ‍ও কল্যাণট্রাস্টের টাকার জন্য আবেদন করেন। আবেদন করার পরপরই করোনার কারণে লকডাউন শুরু হয়। সবকিছু বন্ধ থাকে।

এরপর লকডাউন তুলে দেয়ার পর গত বছরের আগস্ট মাসে অবসর ও কল্যাণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ ফের শুরু হয়।  হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষক তিন/চার বছর আগে টাকার জন্য আবেদন করলেও তাদের আবেদন অনুমোদন না হলেও বাশার হাওলাদারেরটা হয়েছে। অবসর সুবিধা বোর্ডের একাধিক সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন । 

জানতে চাইলে অবসর সুবিধা বোর্ডর সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী মঙ্গলবার দুপুরে ডটকমকে বলেন, ‘বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল বাশার হাওলাদারকে প্রায় চার মাস আগে অবসর সুবিধার টাকা দেয়া হয়েছে।’

এদিকে বাশার হাওলাদার তার নিজের ফেসবুকে দাবি করেছেন যে তিনি টাকা পাননি। যেখানে তিনি কৌশলে বলেছেন, ‘কল্যাণট্রাস্টের টাকা এখনো পাইনি।’  তবে, তিনি অবসর সুবিধার টাকার বিষয়ে কিছু বলেননি। অবসরের টাকা হাতে পাওয়ার তথ্যপ্রমাণ র হাতে রয়েছে। কল্যাণট্রাস্টের টাকাও শিগগিরই হাতে পাবেন বাশার হাওলাদার, একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

মঙ্গলবার দুপুরে বাশার হাওলাদারে দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস যা ডাহা মিথ্যা।  ছবি: সংগৃহীত। 

কল্যাণের টাকা খুব শিগগিরই হাতে পৌঁছে যাবে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন।  [inside-ad-ad]



গতকাল র একজন পাঠকের পাঠানো লেখা ছিলো এমন : ‘কোনো কাউন্সিল না, কোনো ভোটাভুটি না, নিজের ঘোষণায় নিজেই সভাপতি। কিন্ডারগার্টেনে চাকরিকরা মেয়েকে বানিয়েছেন সংগঠনের সহ-সভাপতি। সংগঠনের নামও দিয়েছেন নিজেই। এই নামে কোনো শিক্ষক সংগঠন নেই, হওয়াটাও শোভন কি-না তা নিয়েও প্রশ্ন আছে জাত শিক্ষকদের। অবসরে যাওয়ার দুই-তিন বছর আগে খুব গরম-গরম কথা বলতেন। সাধারণ শিক্ষকদের পক্ষে লোক দেখানো কথা বলতেন। কিন্তু অবসরের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সুর বদলে যায় তার। গোপনে হাত মেলান নিরীহ শিক্ষকদের জমানো টাকায় অবৈধভাবে বেতন নেয়া ও ব্যাংকে এফডিআর করে সুদের টাকা খাওয়া ও ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষকদের পাওনা টাকা দেয়া স্বঘোষিত ও নিন্দিত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে। এটা কিন্তু নতুন নয়। একই কাজ করেছেন সেলিম ভুইয়া, চৌধুরী মুগিছ উদ্দিন মাহমুদ, দেলোয়ার হোসেন, আবদুর রশিদসহ অনেকেই।  যেখানে বছরের পর বছর টাকা পাচ্ছেন না হাজার হাজার শিক্ষক, মারা যাচ্ছেন টাকা ছাড়া। ঘুষ ছাড়া টাকা মেলে না সাধারণ শিক্ষকদের জন্য। সেখানে অবসরের পর আবেদন জমা দেয়ার তিনমাসের মধ্যে টাকা পেলেন কিভাবে আবুল বাশার হাওলাদার?  এটা খুঁজে বের করে য়  একটি প্রতিবেদন চাই।’ 

এই চিঠিটি গতকাল য় প্রকাশ হয়েছে।

-অনলাইন ডেস্ক