ড্রামে ভাসা সেই লাশের পরিচয় মিলেছে |

নওগাঁর রাণীনগরে মিরাট ইউনিয়নের মেরিয়া নামক স্থানে গতকাল সোমবার সকালে একটি পুকুরে ড্রামে ভরা ভাসমান সেই লাশের পরিচয় মিলেছে। আজ  মৃত শহিদুল নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বাউল্লা পাড়া গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই যুবকের বোন পারভীন আকতার রাণীনগর থানায় গিয়ে তার ভাই শহিদুল ইসলাম (৩৫) এর লাশ বলে সনাক্ত করে।

নিহত শহিদুলের ছোট বোন পারভীন আকতার বলেন, আমরা দুই ভাই বোন। শহিদুল আমার বড়। বাবা বেশ কিছুদিন আগে মারা গেছে। ভাই রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভোপড়াপুল গ্রামে বিয়ে করেছিলেন। সংসার জীবনে এক ছেলে এক মেয়ে থাকা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা না হওয়ায় গত প্রায় দুই বছর আগে শহিদুল তার বউকে তালাক দেন। তারপর আর বিয়ে করেননি। আমার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে এক সাথে বসবাস করতেন। ব্যাক্তিগত ভাবে তিনি কৃষি কাজ করতেন। হঠাৎ করে শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। পরে পত্র পত্রিকার মাধ্যমে ছবি দেখে রাণীনগর থানায় মঙ্গলবার সকালে এসে আমার ভাই শহিদুল ইসলামের লাশ সনাক্ত করি। আমার ভাইকে কি কারণে কারা মারলো তা এখনো বুঝতে পারছি না। 

রাণীনগর থানার ওসি শাহিন আকন্দ জানান, সোমবার সকালে উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের আতাইকুলা-বান্দাইখাড়া সড়কের মেরিয়া নামক স্থানে একটি পুকুরে হলুদ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা লাশের পরিচয় মিলেছে। তার নাম শহিদুল ইসলাম। তিনি আত্রাই উপজেলার বাউল্লাপাড়া গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। এবিষয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হবে। 


-Kalerkantho