ফ্যাশনে পরিবেশবান্ধব পোশাক

পরিবেশ-বান্ধব পোশাক এখন সবচেয়ে ফ্যাশনেবল। পুরনো জিনিস দিয়ে তৈরি নতুন ডিজাইনের পোশাক মাতাচ্ছে রানওয়ে। সম্প্রতি ‘মামি’ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশ নেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ‘জগ্গা জাসুস’ ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি ক্যাটরিনা আরেকটা কারণে আলোচনায় এলেন এদিন। ছবিতে যা পোশাক পরেছেন তিনি, প্রায় সবই নাকি পরিবেশ বান্ধব। এক পরিবেশ বান্ধব পোশাক নির্মাতা সংস্থার কাছ থেকেই কেনা হয়েছে পোশাকগুলো।

জানা যাক কিভাবে তৈরি হয় পরিবেশ বান্ধব পোশাক

স্কেচবোর্ডে আঁকা, ফ্যাব্রিক কেনা, তারপর সেগুলো জুড়ে ফেলা— অনেকেই ভাবেন, যে কোনও ডিজাইনার পোশাক এভাবেই তৈরি হয়। কিন্তু বেশ কিছু ডিজাইনার এখন আরও এক ধাপ আগে থেকে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি ঘুরে বেঁচে যাওয়া টুকরো কাপড় জড়ো করা থেকে শুরু হয় তাদের কাজ। তারপর জোগাড় করা কাপড় দিয়ে কীভাবে নতুন ডিজাইন তৈরি হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেন তারা।

দিল্লির ডিজাইনার ব্র্যান্ড ‘ডুডলেজ’এর কর্ণধার কৃতীর মতে, ‘বিষয়টা একটা পাজল মেলানোর মতো। হাতে প্রথমে নানা রকম ফ্যাব্রিক আসে। সেই অনুযায়ী ভাবতে হয়, কীভাবে সেগুলো কোনও ডিজাইনে ব্যবহার করা যায়।’ অনেক ডিজাইনার ব্র্যান্ডই এখন এই দিকে ঝুঁকছে। কারণ ফ্যাব্রিক থেকে কোনও পোশাক তৈরি করতে গেলে বাড়তি অনেক কাপড় বেঁচে যায়। সেগুলো নষ্ট করার কোনও মানে হয় না।

আপসাইকেলড পোশাকের সবচেয়ে বড় আবেদন, এর অভিনবত্ব। সাধারণত, টুকরো কাপড় বা অন্যান্য জিনিস দিয়ে যে পোশাক তৈরি হয়, সেগুলো হুবহু একই রকম দ্বিতীয়বার তৈরি হওয়া সম্ভব হয় না। সে দিক থেকে যে কোনও আপসাইকেলড পোশাক অভিনব। তাই এই পোশাকগুলোর চাহিদাও বেশি।

পুরনো জিনিসকে নতুনভাবে ব্যবহার করাটা রিসাইকেল করা। এর সঙ্গে আপসাইকেলের পার্থক্য রয়েছে। বিষয়টা ফ্যাশনে অপেক্ষাকৃতভাবে নতুন। আপসাইকেল মানে মূলত পুরনো জিনিসকে ভেঙে নতুনভাবে গড়ে এমন কিছু তৈরি করা, যার মূল্য আগের জিনিসের চেয়ে বেশি।

এম ইউ