জামাতাই নিয়ে গেলেন শাশুড়ির লাশ |

শেষ পর্যন্ত জামাতাই নিয়ে গেলেন শাশুড়ির লাশ। ঈদের দিন আজ দুপুরে পুলিশ শাশুড়ির লাশ জামাতা মুসাকে বুঝিয়ে দেয়। এর আগে মুসা লাশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। পরে স্বামীর বাড়ির কবরস্থানে দাফন করা হলো খোদেজা (৬৫) নামে  হতভাগ্য এই নারীকে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বলাখাল পশ্চিম বাজার এলাকায় কোনো এক গাড়ি এই নারীকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই এই নারী মারা যান। রাতেই পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, লাশ উদ্ধারের পর থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। রাতেই নিহত নারীর পরিচয় জানতে থানার ফেসবুক পেইজে এই নারীর ছবিসহ স্ট্যাটাস ও বিভিন্ন থানায় মেসেজ দেওয়া হয়। ঈদের দিন সকালে হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নের সন্না কানির বাড়ির মুসা নামের এক রিকশাচালক নিহত নারীর জামাতা পরিচয়ে থানায় এসে লাশ শনাক্ত ও নিশ্চিত করেন। নিহত নারী সন্না গ্রামের ছোট হাজী বাড়ির ফজলুল হকের স্ত্রী।

জামাতা মুসা পুলিশকে জানান, তার স্ত্রীর অন্য কোনো ভাই-বোন নেই। শাশুড়ির মানসিক সমস্যা থাকার কারণে প্রায় সময় নিরুদ্দেশ হয়ে যেতেন। পরে আবার খুঁজে আনা হতো। সর্বশেষ গত কয়েক দিন আগে নিরুদ্দেশ হন।

হাজীগঞ্জ থানার থানার ওসি কে বলেন, বুধবার দুপুরে নারীকে তার স্বামীর বাড়িতে দাফন করা হয়। এর আগে নিহত নারীর জামাতা মুসা নামে এক ব্যক্তি তার পরিচয় নিশ্চিত করে আবেদন করে লাশ নিয়ে গেছেন।  


-Kalerkantho

Leave a Reply