স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে কলেজছাত্র ও এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ

স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে কলেজছাত্র ও এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ

বাগেরহাট প্রতিনিধি: জেলার শরণখোলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে কলেজছাত্র ও এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে ওই দুইজনের নামে শরণখোলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে পুলিশ রাতেই তাদের আটক করে। নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মোড়েলগঞ্জ থেকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।আটক কলেজছাত্র রায়হান উদ্দিন রুমান মোড়েলগঞ্জ এস এম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৮) কলেজছাত্র রায়হানের আপন মামা।

মামলার বাদী তার লিখিত অভিযোগে বলেন, শরণখোলা উপজেলার আমড়াগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন হাওলাদারের ছেলে মোড়েলগঞ্জ এস এম কলেজের আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থী রায়হান উদ্দিন রুমান দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে (১৫) কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে তার মেয়ে রাজি না হওয়ায় শুক্রবার জোর করে শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা এলাকার জনৈক ফারুক আকনের বাড়িসংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে কৌশলে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে রায়হান।ওই কিশোরী  জানান, এ ঘটনা কাউকে বললে তাকে খুন করা হবে বলে শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন হুমকি দেয়। এ বিষয়ে শরণখোলা থানার ওসি মো. কবিরুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে রায়হান ও তার মামা ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অসুস্থ স্কুলছাত্রীকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।